Posts

কিশোর পাশা ইমনের জাদুঘর pdf | jadughar novel by kishor pasa emon

Image
রুচিবাগীশের ‘জাদুঘর’ জ্বালাময়ী ভাষণের সম্পৃক্ততা বজায় রাখা আগুনঝরানো কোনো বই─শেষ কবে পড়েছেন? যে বইয়ের পাতায় পাতায়─ঘুণাক্রান্ত সমাজের অপরিশোধিত আখ্যান এবং শত কিংবা সহস্রাধিক লাঞ্ছনা-ব্যঞ্জনা সহ্য করা একটি জাতির বেঁচে থাকার অমলিন সংগ্রামের গল্প লেখা রয়েছে? যদি মনে করতে না পারেন; তবে অসুবিধা নেই। লেখক কেপি ইমনের ‘জাদুঘর পাতা আছে এই এখানে’ আপনার ভেতরে নিষ্ক্রিয় হওয়া অগ্নিকে আবারও উসকে দিতে এমন একটি বইয়ের রচনা করে বসেছেন। জাদুঘর পাতা আছে এই এখানে রক্তের ঝিকিমিকি আঁকা যেখানে... যদি ভাবেন শুধু রক্তের খেলা আর সংগ্রামের গল্প লিখতেই লেখকের কালঘাম বেরিয়ে একাকার অবস্থা হয়েছে─এমনটা নয়।  সমাদৃত শান্তিরক্ষা বাহিনির সুনামে আলোকিত অবয়বের বিপরীতে সবুজে ঘেরা রাজ্যের অন্তরালে পাশবিক উৎপীড়নে লুকানো গল্প─মিথ হয়েও তা যেন বহুলাংশে সত্য। লেখক এক শোষিত সমাজের অন্ধকারাচ্ছন্ন আবহকে আলোকিত করার সংকল্প নিয়ে─ঘুণেধরা এই সমাজের অরাজকতার যত আঁতুড়ঘর ভেঙে দিতে তৈরি করেছেন এমন একটি জাদুঘর। এই জাদুঘরে পরিত্যক্ত কোনো স্মারক বা স্মৃতি সংগ্রহের কাজে ব্যবহৃত হয় না। হয়─সমাজের যত অনিয়ম, অসংগতি, অনাচার ও অপব্যবহার মেরামত করার...

পাণ্ডুলিপির শেষ পৃষ্ঠা - পায়েল রায় পার্থ

Image
অনেকে হয়তো জানেন কিংবা অনেকেই জানেন না, আমার প্রকাশিত একটা ছোটো গল্প (প্রায় ৭ হাজার শব্দ) আছে। নাম──❛পাণ্ডুলিপির শেষ পৃষ্ঠা...❜। জনরা ক্রাইম থ্রিলার। বইটি সতীর্থ প্রকাশনা থেকে প্রকাশিত ‘সতীর্থ গল্প সংকলন ২’-এ রয়েছে।  এই পর্যন্ত দু’জন পাঠক এই গল্পের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। এবং দু’জনেরই ভালো লেগেছিল। ওনাদের ধন্যবাদ। সম্ভবত দু’জনের আইডি এখন ডিঅ্যাক্টিভ তাই ম্যানশন দিতে পারছি না। যাহোক, আমার ফ্রেন্ডলিস্টের যারা এই সংকলনটি নিয়েছেন, তারা যদি পড়ে থাকেন গল্পটি—তাহলে পড়ে দুয়েক লাইন মতামত জানাতে পারেন।  আমি চেষ্টা করছি গল্পটি কোনো ই-বুক সাইট/অ্যাপে প্রকাশ করার। কিন্তু তেমন কারও সাথে পরিচিত না হওয়ার কারণে যোগাযোগ করতে পারছি না। চেষ্টা থাকবে এই গল্পটি যেন কম খরচে পড়তে পারেন সেই ব্যবস্থা করার। ধন্যবাদ।

ইলম অর্জনের ক্ষেত্রে তাকওয়ার গুরুত্ব!

Image
"সা‘ঈদ আল-খাতির" বইতে ইবন আল-জাওযি কিছু অসাধারণ কথা বলেছেন: "অনেক 'আলিমকেই কাছ থেকে দেখেছি। উনাদের একেক জনের জ্ঞানের গভীরতা ছিল একেক রকম। তাঁদের পারিপার্শ্বিক অবস্থাও ছিল ভিন্ন। এঁদের মধ্যে যাঁরা তাঁদের জ্ঞানানুযায়ী কাজ করেছেন তাঁদেরকেই আমার কাছে সবচেয়ে কল্যাণকর মনে হয়েছে। অন্যান্য অনেক 'আলিমদের থেকে হয়তো তাঁদের জ্ঞান কম ছিল, কিন্তু তারপরেও এঁদেরকেই সবচেয়ে ভালো মনে হয়েছে। হাদীস বিশেষজ্ঞ একদল বিদ্বানদের সাথে একবার দেখা হয়েছিল। তাঁরা অনেক হাদীস মুখস্থ করেছিলেন; এবং এগুলোর অনুপুঙ্খ বর্ণনাতে পারদর্শী ছিলেন। কিন্তু এরপরও তাঁরা জার্‌হ ও তা‘দিল (বর্ণনাকারীদের সমালোচনাবিদ্যা)-এর অজুহাতে পরনিন্দাকে অনুমতি দিতেন। অর্থের বিনিময়ে হ়াদীস় বর্ণনা করতে তাঁরা। (লোকের চোখে) নিজের সম্মান ও মর্যাদা হারানোর ভয়ে তড়িঘড়ি করে তাঁরা বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতেন। এমনকি যদি সেই উত্তর ভুল হতো, তবুও। 'আবদ আল-ওয়াহহাব আল-আনমাতি নামের একজন 'আলিমকে পেয়েছিলাম, যাঁর আচারব্যবহার ছিল পূর্বসূরিদের (সালাফ) মতো। হাদীস বর্ণনার জন্য তাঁর জমায়েতগুলোতে কখনোই অন্যের দুর্নাম শোনা যায়নি। অর্থের জন্য ত...

শির্ক মিশ্রিত উৎসব !

Image
মাদীনাবাসীরা আনন্দ উৎসব করত এমন একদিনে রাসূলুল্লাহ (সা) এলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “এই দুদিন কীসের?” তারা বলল, “অজ্ঞতার যুগে এই দুই দিন আমরা আনন্দ উৎসব করতাম।” রাসূলুল্লাহ (সা) বললেন, “আল্লাহ এই দিন দুটির পরিবর্তে আরও উত্তম দুটি দিন দিয়েছেন: ঈদ আল-আযহা ও ‘ঈদ আল-ফিতর।”  এখানে এটি স্পষ্ট যে, প্যাগানদের ঐদুটি দিনে আনন্দ উৎসব করা ছিল মাদীনার প্যাগান আরবদের রীতি। আর তাই রাসূলুল্লাহ (সা) তাদের ঐদিন দুটোতে আনন্দ উৎসব করতে বারণ করেছেন। বরং বলেছেন, “আল্লাহ এর পরিবর্তে আরও ভালো দুটো দিন দিয়েছেন”, যার অর্থ বদলে দেওয়া দিনগুলোকে বাদ দিয়ে নতুন দিনগুলোতে আনন্দ উৎসব করতে হবে। উপরের হাদীস থেকে আমরা স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি, অন্য ধর্মের উৎসব হওয়ার কারণে রাসূলুল্লাহ (সা) তাঁর সাহাবাদের সেইদিনগুলোতে আনন্দ করতে নিষেধ করেছেন। ধর্মীয় প্রেক্ষাপটযুক্ত যেকোনো উৎসবই এই বিধানের অন্তর্ভুক্ত।  এ ধরনের ধর্মীয় উৎসবগুলোর মধ্যে রয়েছে বড়দিন, দিওয়ালি, দূর্গাপূজা, ইস্টার সানডে, হ্যালোয়িন ইত্যাদি। উৎসবগুলো যদি তাদের ধর্মীয় গুরুত্ব হারিয়েও ফেলে, তারপরও এগুলো উদ্‌যাপনের অনুমতি ইসলামে নেই। এর কারণ: এসব উৎসবের মূলে রয়েছে শি...

স্বলাতুল ইসতিস্কা বা বৃষ্টি প্রার্থনার নামাজ পড়লেই যে সাথে সাথে বৃষ্টি হবে বিষয়টি এমন নয়!

Image
গতকাল, গতপরশু এবং আজও দেশের বিভিন্ন স্থানে স্বলাতুল ইসতিস্কা বা বৃষ্টি প্রার্থনার নামাজ পড়া হয়েছে/হচ্ছে। স্বলাতুল ইসতিস্কা পড়ার সাথে সাথেই বৃষ্টি নাও হতে পারে, বরং কখনও কখনও দুই একদিন পরেও বৃষ্টি হতে পারে, অথবা দূরে কোথায়ও কিছু বৃষ্টিপাত হতেও পারে। তবে তাপমাত্রা কিছুটা কমে যাওয়া, হালকা বাতাস বয়ে যাওয়া, আকাশ কিছুটা মেঘলা থাকাসহ ইত্যকার কিছু পরিবর্তন আসাটা একান্তই স্বাভাবিক ও প্রত্যাশিত। কিন্তু সমস্যা হলো, কিছু ভায়েরা ধরেই নিয়েছিলেন স্বলাতুল ইসতিস্কা পড়ার সাথে সাথেই ঝরঝর করে বৃষ্টি নামবে এবং এতে করে সেক্যুদের একহাত নিতে পারবেন অথবা পরাজিত করে ফেলবেন। অনেকের আবার খুবই মন খারাপ কেনো বৃষ্টি এলো না, সেক্যুদের নাস্তানাবুদ করার একটি বিশাল মওকা হাতছাড়া হয়ে গেলো। এসব নিয়ে আবেগী মুসলিম যুবসমাজ এবং বিপরীতে নব্য ইরতিদাদে আক্রান্ত সেক্যুপাড়া এই ইস্যুতে যেভাবে বিভিন্ন ন্যারেটিভ তৈরি করছেন তা খুবই অস্বস্তিকর। বিশেষত, দ্বীনী ভায়েরা ইসলামকে সেক্যুলারিজমের মুখোমুখি দাঁড় করানোকে আমি মোটেই সমর্থন করছি না। সেক্যুলারিজমের মত থার্ড/ফোর্থক্লাশ একটি দর্শন ইসলামের সামনে দাঁড়ায় কিভাবে!!! দর্শনগতভাবে সেক্যুলারিজম...

রিভিউ+PDF ইছামতী : বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়

Image
বই : ইছামতী লেখক: বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় ইছামতী পূর্ব-পশ্চিমবঙ্গের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত একটি নদী। লেখক যেকালের আবহে উপন্যাসটি লিখেছেন, সেকালে নদীটি অখন্ড ভারতবর্ষেরই একটি নদী ছিল। নাম ইছামতী হলেও মূল উপন্যাসে ইছামতীর পরিচয় কিংবা ভূমিকা অতি নগণ্য। উপন্যাসটির মূল প্রেক্ষাপট আবর্তিত হয়েছে ইছামতীর তীরবর্তী গ্রামনিবাসীদের জীবনযাত্রা, নীলচাষের নির্মমতা এবং পতন, বর্ণপ্রথাভিত্তিক সামাজিকতা এবং বেদান্তিক আধ্যাত্মিকতা নিয়ে। ইছামতী কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮৯৪-১৯৫০) রচিত শেষ প্রকাশিত উপন্যাস। ১৯৫০ সালের ১৫ই জানুয়ারি এটি মিত্রালয় প্রকাশনা থেকে সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়। তাঁর মৃত্যুর পর পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই উপন্যাসের জন্য তাকে মরণোত্তর রবীন্দ্র পুরস্কার প্রদান করেন (১৯৫০-৫১)। বিভূতিভূষণের লেখার অন্যতম বৈশিষ্ট্য তিনি পাঠকমনে তৎকালীন প্রকৃতি ফুটিয়ে তুলতে সিদ্ধহস্ত। তিতপল্লার ঝোপ, পানিতে ভেসে যাওয়া লাল টুকটুকে তেলাকুচা ফল, সোদালিফুলের মিষ্টি সুবাস কিংবা ঘনসবুজ আউশ ধানের মাঠের উপর আষাঢ়ের ঘনশ্যাম মেঘপুঞ্জ- নগণ্য প্রকৃতিপ্রেমীর মনেও যথার্থ চিত্র ফুটিয়ে তোলে। তার প্রতিটি উপন্যাসে যেমন ভার...

হেল্পিং হ‍্যান্ড - কয়েস সামী | Helping Hand

Image
বইয়ের নাম : হেল্পিং হ‍্যান্ড লেখক : কয়েস সামী বিষয় : সাইকোলজিক‍্যাল থ্রিলার  প্রকাশনী : অনুজ প্রকাশন হেল্পিং হ‍্যান্ড - কয়েস সামী | Helping Hand  ছোট একটা বাচ্চা রাতে ঘুমুবার আগে দাঁত ব্রাশ না করার শাস্তিস্বরূপ তার মা প্লাস দিয়ে তার একটি দুধ-দাঁত তুলে ফেলেন। কারন তিনি বিশ্বাস করেন- "কেউ যখন তার দাঁতের যথাযথ যত্ন নিতে পারেনা, তখন তার সেই দাঁত রাখার কোন অধিকার থাকে না।" ভাবুন তো, বাচ্চাটা তার জীবনে ছোট থেকে বড় হওয়া পর্যন্ত এমন ছোট ছোট ভুলের জন‍্য আর কী কী শাস্তি পেতে পারে? এই শাস্তি তার সাকোলজিতে কীরকম প্রভাব ফেলতে পারে?  rokomari.com https://www.rokomari.com › book হেল্পিং হ্যান্ড (প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় খণ্ড ): কয়েস সামী বাচ্চাটা উপন‍্যাসের নায়ক- রাকিব। প্রেমে পড়ার মতো অসাধারণ চরিত্রের মানুষ যার ৯৯℅ আচরণ আপনি ভালোবাসবেন কিন্তু ১℅ আচরণে আপনি শিউরে উঠবেন। এই ১℅ নিষ্ঠুরতা ৯৯℅ ভালোবাসাকে উগ্রে দিতে যথেষ্ট। সে তার মায়ের থেকে শিখেছে-  " আমরা যখনই কোন নিয়ম ভঙ্গ করব, আমাদের অবশ্যই পানিশমেন্ট এর ভেতর দিয়ে যেতে হবে। না হলে আমাদের শিক্ষাটা যথাযথ হয় না।" তাই সে তার স্ত্রী...