বইঃ প্রশান্তির বাঁধন - লেখক : উস্তাদ আলী হাম্মুদা | Proshantir Badhon

প্রশান্তির বাঁধন
লেখক : উস্তাদ আলী হাম্মুদা
প্রকাশনী : পথিক প্রকাশন
বিষয় : পরিবার ও সামাজিক জীবন
পৃষ্ঠা : 208
ভাষা : বাংলা

        বিবাহের প্রকৃত অর্থ

একজন মুসলমান চিরস্থায়ী সুখী বাসস্থানের প্রত্যাশায় আল্লাহর নিকট ফিরে যাবার যে যাত্রা শুরু করেছে, এই পৃথিবীর সকল ঝড়-ঝাপটা, দুঃখ-কষ্ট অতিক্রম করে সফলতার সাথে সেই গন্তব্যে পৌঁছতে তার তিনটি জরুরি উপকরণের প্রয়োজন। এই তিনটি উপকরণ ছাড়া তার পাথেয়গুলো অক্ষত রাখা এবং আল্লাহকে সন্তুষ্ট করা সম্ভব নয়। তবে কী সেই উপকরণ? যার অভাবে এত দুঃখ সয়ে অতিক্রান্ত এই গোটা পথ মানুষের জন্য বৃথা হয়ে যায়?

ক. মানুষের চিরস্থায়ী সফলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তিনটি উপকরণের প্রথমটি হলো ‘তাওহিদ বা আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাস করা। অর্থাৎ তার সাথে স্পষ্ট বা অস্পষ্টভাবে অন্য কাউকে শরীক না করা।

খ. দ্বিতীয় উপকরণটিও একজন মুসলমানের চিরসুখী হওয়ার ক্ষেত্রে জরুরি। সেটি হলো—‘ইত্তেবা বা হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসরণ।' অর্থাৎ নিজের জীবনকে তাঁর আদর্শ, তাঁর দেখানো পথ এবং তাঁর নির্দেশিত হুকুম আহকাম অনুযায়ী পরিচালিত করা।

গ. আর একজন মুসলমানের যাত্রাপথের জন্য অপরিহার্য তৃতীয় বিষয়টি হলো, ‘আত্মার পরিশুদ্ধতা।' কেননা একটা কলুষিত অন্তর মানুষের জান্নাতে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াবে। সবচাইতে বড় বিষয় হলো, অন্তরের অপরিশুদ্ধতা একজন মানুষকে আল্লাহ এবং তাঁর রাসুলের নির্দেশিত পথ থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। যার ফলে তার জীবনের অতিক্রান্ত সমস্ত পথ ধূলিকণার মতো মূল্যহীন হয়ে যায়।

আর সুবহানাল্লাহ! সবচেয়ে বিস্ময়কর ব্যাপার হলো, আল্লাহর একত্ববাদ, রাসুলের আনুগত্য কিংবা আত্মার পরিশুদ্ধতা, স্পষ্টভাবে এই তিনটি উপাদানই নারী পুরুষকে ইসলামি নীতিতে বৈধভাবে একত্র করা ‘বিবাহের সম্পর্কের মধ্যে প্রত্যক্ষ করা যায়।

আমি এই বিষয়ের গুরুত্ব সম্পর্কে তোমাদের পূর্বে থেকেই একটু সতর্ক করে দিতে চাই। কেননা, এটা সাধারণ আলোচিত কোনো বিষয়ের মতো নয়; ইসলামে বিবাহ তোমার ধারণার থেকেও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কেননা এটা এমন এক সম্পর্ক, যা মানুষকে দুনিয়া এবং আখিরাতের জীবনের সফলতা এনে দিতে পারে। অথবা কোনো মানুষের জন্য দুর্দশা এবং পরকালের ব্যর্থতার কারণ হতে পারে। তাই এ বিষয়ের ক্ষেত্রে আমাদের যথাযথ ধারণা থাকা উচিত।

আমাদের আখিরাতের সফলতায় উল্লিখিত তিনটি উপকরণ কিন্তু ইসলামের মৌলিক এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই বিবাহের ভেতরে এগুলোর স্পষ্ট উপস্থিতি প্রত্যক্ষ করে আমরা এই সম্পর্কের গুরুত্বের ব্যাপারে সতর্ক হতে পারব।

ক. বিবাহের সম্পর্কে তাওহিদের নিদর্শন
প্রশ্ন হতে পারে, কীভাবে আমরা তাওহিদকে বিবাহের সম্পর্কের ভেতরে প্রত্যক্ষ করতে পারি?

এর উত্তর হলো, আমরা আল্লাহ তাআলা সম্পর্কে জানি, তিনি নিজের জন্য অন্য

কারও প্রয়োজন বোধ করেনি। সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকেই তিনি একা থাকাকেই পছন্দ

করেছেন।

আর একজন মানুষ যতই স্বাধীন হোক না কেন, শারীরিক দিক থেকে শক্তিশালী আর যত বড়ই সফলতা অর্জন করুক না কেন— সে কখনো একা বাঁচতে পারবে না। তার জীবনে এমন সময় অবশ্যই আসবে যখন সে বুঝতে পারবে, তার একার পক্ষে এই পৃথিবী থেকে পাথেয় জমিয়ে পরকালের যাত্রাপথে টিকে থাকা সম্ভব নয়। তার জীবনের সমাপ্তি ঘটার আগে পৃথিবীর সকল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে, আখিরাতে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচতে আর নিজের জন্য উত্তম আমল বেছে নিতে অবশ্যই তার একজন সঙ্গী বা স্বামী-স্ত্রীর সাহায্য প্রয়োজন হবে।

যদিও আজকে অনেক মানুষই নিজেকে শারীরিকভাবে যথেষ্ট শক্তিশালী মনে করে। কেউ হয়তো দামি পোশাক আর ভালো খাবার খায়, কারও হয়তো শিক্ষাগত যোগ্যতা বেশি, কেউ আবার অর্থের প্রভাবে চাকচিক্যময় জীবন অতিবাহিত করছে, কিন্তু তাদের কেউই জীবনের এ যাত্রাপথে শুধু উত্তম শিক্ষা, শক্তি কিংবা সামর্থ্য নিয়ে একা চলতে পারে না। তাকে সঙ্গীর জন্য কোনো না কোনো সময়ে বিবাহের দিকে যেতেই হয়।

অনেকে আবার সামাজিক মাধ্যমের প্রোফাইলে নিজের জীবনচিত্র উত্তমরূপে প্রদর্শনের মাধ্যমে নিজেকে সুখী প্রমাণের চেষ্টা করে থাকে। কিন্তু বাহ্যিক দৃষ্টিতে সে জীবনের সবকিছু উপভোগ করছে, সুখে আছে বলে মনে হলেও একটা সময়ে সেও নিজেকে নিয়ে অচল হয়ে পড়বে। কেননা সঙ্গীহীন সকল মানুষের অন্তরের সুখ অপূর্ণ থাকে। আর বিবাহ মূলত দুজন মানুষের হৃদয়ে পূর্ণতা দেয়, এর মাধ্যমে জীবনের সকল দুঃখ-দুর্দশায় তারা একে অপরের জন্য পরিপূরক হয় আর পরস্পরের অন্তরে সুখের পূর্ণতা এনে দেয়।

কিন্তু আল্লাহ তাআলার ক্ষেত্রে এই বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন। কেননা তিনি আমাদের স্রষ্টা আর আমরা তাঁর সৃষ্টি। যদিও এখানে তাঁর সাথে কারও তুলনা করা হয়নি, বরং তাঁর একত্ববাদকে বিবাহের মাধ্যমে আবারও প্রমাণ করা হয়েছে। তিনি আসমান-জমিনের মধ্যকার সবকিছু একাই সৃষ্টি করেছেন, ইসলামকে এই পৃথিবীর জন্য একমাত্র আইন করেছেন, হালাল-হারামের মধ্যে পার্থক্য করে দিয়েছেন, জান্নাতকে অপরূপ করে সাজিয়েছেন, জাহান্নাম সৃষ্টি করেছেন।

এভাবেই তাঁর একত্ববাদকে আমরা বিবাহের সম্পর্কের মধ্যে লক্ষ করতে পারি। কেননা, এই সম্পর্ক আল্লাহর একত্ববাদকে বারবার স্মরণ করিয়ে দেয়। বিবাহ আমাদের বুঝিয়ে দেয় যে, মানুষ মূলত একটা সৃষ্টি, আর সে কখনোই একা চলতে পারে না। আর তাদের সৃষ্টিকর্তা অনন্তকাল ধরে একাই সবকিছু পরিচালনা করছেন।

আল্লাহ তাআলা মানুষের সঙ্গীর ব্যাপারে কুরআনুল কারিমে বলেছেন,

هو الذي خلقكم من نفس واحدة وجعل منها زوجها ليسكن إليها.

‘তিনিই সে সত্তা যিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এক ব্যক্তি থেকে এবং তার থেকে বানিয়েছেন তার সঙ্গিনীকে, যাতে সে তার নিকট প্রশান্তি লাভ করে।” এটাই মানুষ! তাদের প্রশান্তি অন্য আরেকটা মানুষের মধ্যে দেয়া হয়েছে। আর

আল্লাহর ক্ষেত্রে তিনি বলেন,

وآله تعالى جد ربنا ما اتخذ صاحبة ولا ولدا.

[১] সুরা আল-আরাফ ৭:১৮৯।

‘আর নিশ্চয় আমাদের রবের মর্যাদা সমুচ্চ। তিনি কোনো সঙ্গিনী গ্রহণ করেননি এবং না কোনো সন্তান।”

তিনি অন্য এক আয়াতে তাঁর একত্ববাদের বর্ণনা দিয়ে বলেন,

بديع السماوات والأرض أن يكون له ولد ولم تكن له صاحبة وخلق كل شيء وهو بكل شيء عليم .

‘তিনি আসমানসমূহ ও জমিনের স্রষ্টা। কীভাবে তাঁর সন্তান হবে? অথচ তাঁর কোনো সঙ্গিনী নেই! আর তিনি সবকিছু সৃষ্টি করেছেন এবং তিনি প্রতিটি জিনিসের ব্যাপারে সর্বজ্ঞ।

যখন থেকে মহান আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা এই আকাশ ও জমিন সৃষ্টি করেছেন তখন থেকেই তিনি এক। সকল সৃষ্টির আগের অসীম সময়েও মহান রাব্বুল আলামিন একা ছিলেন। তারপর তিনি পৃথিবীর বিকাশ ঘটিয়ে মনুষ্যকুলের মধ্য হতে তাঁর বার্তাবাহক বা নবি-রাসুলগণকে একাই বেছে নিয়েছেন। এরপর কিয়ামতের সূচনালগ্নে যখন ঈসরাফিল আলাইহিস সালাম-এর শিঙ্গার ফুৎকারে সমস্ত সৃষ্টির মৃত্যু হবে, তখনো তিনি একাই জীবিত থাকবেন। আর কিয়ামতের ময়দানে যখন তিনি পুনরায় সকলকে পুনরুত্থিত করবেন, তখন সমস্ত ক্ষমতা, রাগ আর ক্ষমার অধিকার তাঁর একারই থাকবে।

তাই তুমি যখন তোমার স্বামী-স্ত্রীর দিকে দৃষ্টি দেবে তখন এই সম্পর্ক তোমাকে আল্লাহর একত্ববাদের কথা স্মরণ করিয়ে দেবে। তুমি বুঝতে পারবে, মানুষ আর তার সৃষ্টিকর্তার মধ্যে এটাই হলো মূল পার্থক্য। মানুষের একা চলার ক্ষমতা নেই, আর তাদের সৃষ্টিকর্তা অনন্তকাল ধরে অসীম ক্ষমতাসীন এবং তিনি একক।

খ. বিবাহের সম্পর্কে সুন্নাহর প্রতিফলন
তিনটি প্রয়োজনীয় উপকরণের মধ্যে দ্বিতীয় বিষয়টি ছিল, ‘ইত্তিবা বা নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসরণ। একজন মুসলমানের জন্য তাঁর সুন্নাহর অনুসরণ ব্যতীত জান্নাতের সকল দরজা বন্ধ থাকবে। তিনি চলে গেছেন

[২] সুরা জ্বিন ৭২:৩৷

[৩] সুরা আনআম ৬:১০১।

ঠিকই, কিন্তু এই উম্মতকে কোনো কিছু বলতে বাকি রাখেননি। কোন পথে গেলে জান্নাত লাভ করা যাবে এবং কোন পথের শেষে জাহান্নাম তা তিনি আমাদেরকে স্পষ্ট করে দিয়েছেন। জান্নাতের দরজা শুধু তাঁর জীবনাদর্শ অনুসরণের কারণেই মানুষের জন্য খোলা হবে; অথবা তাঁর সুন্নাহ ত্যাগ করার ফলে বন্ধ হয়ে যাবে। আর সবচাইতে আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, এই দ্বিতীয় উপকরণটিও বৈবাহিক সম্পর্কের মধ্যে লক্ষ করা যায়।

বিবাহ সম্পর্কিত একটি হাদিসে আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন—

‘তিনজনের একটি দল নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইবাদাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার জন্য তাঁর স্ত্রীদের বাড়িতে এল। যখন তাদেরকে এ সম্পর্কে জানানো হলো, তখন তারা ইবাদাতের পরিমাণ কম মনে করল এবং বলল, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে আমাদের তুলনা হতে পারে না। কারণ, তাঁর আগের ও পরের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়েছে। এমন সময় তাদের মধ্য হতে একজন বলল, আমি সারা জীবন রাতভর সালাত আদায় করতে থাকব। অপর একজন বলল, আমি সব সময় সিয়াম পালন করব এবং কক্ষনো বাদ দেবো না। অপরজন বলল, আমি নারীসঙ্গ ত্যাগ করব, কখনো বিয়ে করব না। এরপর নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের নিকট এলেন এবং বললেন, তোমরা কি ওইসব লোক যারা এমন এমন কথাবার্তা বলেছ? আল্লাহর কসম! আমি আল্লাহকে তোমাদের চেয়ে বেশি ভয় করি এবং তোমাদের চেয়ে তাঁর প্রতি বেশি অনুগত; অথচ আমি সাওম পালন করি, আবার তা থেকে বিরতও থাকি। সালাত আদায় করি, নিদ্রা যাই এবং মেয়েদেরকে বিয়েও করি। সুতরাং যারা আমার সুন্নাতের প্রতি বিরাগ পোষণ করবে, তারা আমার দলভুক্ত নয়।

এই হাদিস থেকে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে, বিবাহ সুন্নাতের অবিচ্ছেদ্য একটি অংশ। আর অবিবাহিত থাকা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাতের পরিপন্থী কাজ। যা মানুষের জাহান্নাম নিশ্চিত করে দিতে পারে।

[৪] সহিহুল বুখারি: ৫০৬৩; আল মুসনাদ, ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বল: ১৩৫৩৪।

গ. বিবাহের সম্পর্কে আত্মার পরিশুদ্ধতা
আমাদের সকলের জন্য তৃতীয় প্রয়োজনীয় উপকরণটি হলো, ‘আত্মার পরিশুদ্ধতা। কোনো মানুষই অপবিত্র অন্তর নিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। কেননা সফলতার সংজ্ঞা দিতে গিয়ে আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমে বলেছেন,

قد أفلح من زكاها.

‘নিঃসন্দেহে সে-ই সফলকাম হয়েছে, যে নিজেকে পরিশুদ্ধ করেছে।

এই আয়াত সম্পর্কে খানিকটা ভাবনার বিষয় রয়েছে। আল্লাহ তাআলা কিন্তু এখানে বলেননি, 'সে-ই সফলকাম, যে নিজেকে পরিশুদ্ধ করা শিখেছে।'

সফলতা শুধু পরিশুদ্ধতার জ্ঞান অধ্যয়ন করা, এ বিষয়ের বই পাঠ করা, হাদিস মুখস্থ কিংবা কুরআনুল কারিমের আয়াতের তাফসির পড়া নয়। এখানে আল্লাহ তাআলা বোঝাতে চেয়েছেন, পরিশুদ্ধতার জ্ঞান নয়; বরং নিজের অন্তরকে পরিশুদ্ধ বা পবিত্র অবস্থায় রাখতে পারাই হচ্ছে প্রকৃত সফলতা। তাই আমাদের শুধু পবিত্রতার জ্ঞান অর্জন নয়, নিজের অন্তরকে পবিত্র করার চেষ্টা করতে হবে। আত্মিক পবিত্রতা সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমের অন্যত্র বলেছেন,

يوم لا ينفع مال ولا بنون إلا من أتى الله بقلب سليم

‘যেদিন ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি কোনো উপকারে আসবে না। তবে যে আল্লাহর কাছে আসবে পরিশুদ্ধ অন্তরে।

অর্থাৎ, আখিরাতের সেই কঠিন মুহূর্তে দুনিয়ার সম্পদ আর সন্তানের চাইতে অধিক মূল্যবান হবে অন্তরের পবিত্রতা। আর এই পরিশুদ্ধতা অর্জনের পুরস্কার সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা সুরা ত্বহার একটি আয়াতে বলেছেন,

جنات عدن تجري من تحتها الأنهار خالدين فيها وذلك جزاء من تركي

‘স্থায়ী জান্নাত, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত, তারা সেখানে স্থায়ী হবে। আর এটা হলো যারা পরিশুদ্ধ হয় তাদের পুরস্কার।

[৫] সুরা আশ শামস ৯১:৯।

[৬] সুরা আশ শুআরা ২৬: ৮৮-৮৯।

[৭] সুরা ত্বহা ২০:৭৬।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ