The Human Chimera - দ্য হিউম্যান কাইমেরা

দ্য হিউম্যান কাইমেরা সিংহের শরীরের পেছন দিকে ছাগলের মাথা। লেজের দিকটা আবার একটা সাপের মাথা। মুখ দিয়ে আগুন ছুড়তে পারে। আসলে মাইথোলজিক্যাল প্রানী। ধারণা করা হয় এই প্রানীর প্রথম আবির্ভাব হয়েছিল হোমারের ইলিয়ডে। একে বলা হয় কাইমেরা! কাইমেরা মিথোলজিক্যাল একটা প্রাণী হলেও বিভিন্ন গল্প উপন্যাসে একের অধিক প্রানীর দেহ নিয়ে গঠিত যেকোনো অতিলৌকিক প্রানীকে কাইমেরা ধরা হয়। সেটা হতে পারে ইলিয়ডের সেই সিংহ, ছাগল আর সাপের সংকর কিংবা ঘোড়ার শরীরে মানুষের ধর মাথা! কিংবা ধরেন স্ফিংস, অথবা ওয়্যারওল্ফ। এবার নিশ্চয় বুঝতে পারছেন হোয়াট ইজ এ হিউম্যান কাইমেরা? নাহ, এখানে মানুষের শরীরের বাঘের মাথাকে কাইমেরা বোঝানো হচ্ছে না। এটা একটা মেডিকেল কন্ডিশন। কোনো মানুষের শরীরে যদি দুই ধরণের ডিএনএ থাকে তবে তাকে হিউম্যান কাইমেরা বলে। এরকম কেস এখন পর্যন্ত শখানেক পাওয়া গেছে। কী কারণে একটা মানুষের দু-রকম ডিএনএ হতে পারে সেটা নিয়ে আলোচনা করতে গেলে লেখা বড় হবে, আপনারা বিরক্ত হবেন। তবে এই কন্ডিশনকে কেন কাইমেরা বলা হয়েছে তা নিশ্চয় উপরের আলোচনা থেকে বুঝে গেছেন! দু-রকম ডিএনএর কারণে একজন মানুষের ভেতরে বাস করতে পারে সম্পূর্ণ আলা...