Posts

Showing posts from April, 2023

কিশোর পাশা ইমনের জাদুঘর pdf | jadughar novel by kishor pasa emon

Image
রুচিবাগীশের ‘জাদুঘর’ জ্বালাময়ী ভাষণের সম্পৃক্ততা বজায় রাখা আগুনঝরানো কোনো বই─শেষ কবে পড়েছেন? যে বইয়ের পাতায় পাতায়─ঘুণাক্রান্ত সমাজের অপরিশোধিত আখ্যান এবং শত কিংবা সহস্রাধিক লাঞ্ছনা-ব্যঞ্জনা সহ্য করা একটি জাতির বেঁচে থাকার অমলিন সংগ্রামের গল্প লেখা রয়েছে? যদি মনে করতে না পারেন; তবে অসুবিধা নেই। লেখক কেপি ইমনের ‘জাদুঘর পাতা আছে এই এখানে’ আপনার ভেতরে নিষ্ক্রিয় হওয়া অগ্নিকে আবারও উসকে দিতে এমন একটি বইয়ের রচনা করে বসেছেন। জাদুঘর পাতা আছে এই এখানে রক্তের ঝিকিমিকি আঁকা যেখানে... যদি ভাবেন শুধু রক্তের খেলা আর সংগ্রামের গল্প লিখতেই লেখকের কালঘাম বেরিয়ে একাকার অবস্থা হয়েছে─এমনটা নয়।  সমাদৃত শান্তিরক্ষা বাহিনির সুনামে আলোকিত অবয়বের বিপরীতে সবুজে ঘেরা রাজ্যের অন্তরালে পাশবিক উৎপীড়নে লুকানো গল্প─মিথ হয়েও তা যেন বহুলাংশে সত্য। লেখক এক শোষিত সমাজের অন্ধকারাচ্ছন্ন আবহকে আলোকিত করার সংকল্প নিয়ে─ঘুণেধরা এই সমাজের অরাজকতার যত আঁতুড়ঘর ভেঙে দিতে তৈরি করেছেন এমন একটি জাদুঘর। এই জাদুঘরে পরিত্যক্ত কোনো স্মারক বা স্মৃতি সংগ্রহের কাজে ব্যবহৃত হয় না। হয়─সমাজের যত অনিয়ম, অসংগতি, অনাচার ও অপব্যবহার মেরামত করার...

পাণ্ডুলিপির শেষ পৃষ্ঠা - পায়েল রায় পার্থ

Image
অনেকে হয়তো জানেন কিংবা অনেকেই জানেন না, আমার প্রকাশিত একটা ছোটো গল্প (প্রায় ৭ হাজার শব্দ) আছে। নাম──❛পাণ্ডুলিপির শেষ পৃষ্ঠা...❜। জনরা ক্রাইম থ্রিলার। বইটি সতীর্থ প্রকাশনা থেকে প্রকাশিত ‘সতীর্থ গল্প সংকলন ২’-এ রয়েছে।  এই পর্যন্ত দু’জন পাঠক এই গল্পের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। এবং দু’জনেরই ভালো লেগেছিল। ওনাদের ধন্যবাদ। সম্ভবত দু’জনের আইডি এখন ডিঅ্যাক্টিভ তাই ম্যানশন দিতে পারছি না। যাহোক, আমার ফ্রেন্ডলিস্টের যারা এই সংকলনটি নিয়েছেন, তারা যদি পড়ে থাকেন গল্পটি—তাহলে পড়ে দুয়েক লাইন মতামত জানাতে পারেন।  আমি চেষ্টা করছি গল্পটি কোনো ই-বুক সাইট/অ্যাপে প্রকাশ করার। কিন্তু তেমন কারও সাথে পরিচিত না হওয়ার কারণে যোগাযোগ করতে পারছি না। চেষ্টা থাকবে এই গল্পটি যেন কম খরচে পড়তে পারেন সেই ব্যবস্থা করার। ধন্যবাদ।

ইলম অর্জনের ক্ষেত্রে তাকওয়ার গুরুত্ব!

Image
"সা‘ঈদ আল-খাতির" বইতে ইবন আল-জাওযি কিছু অসাধারণ কথা বলেছেন: "অনেক 'আলিমকেই কাছ থেকে দেখেছি। উনাদের একেক জনের জ্ঞানের গভীরতা ছিল একেক রকম। তাঁদের পারিপার্শ্বিক অবস্থাও ছিল ভিন্ন। এঁদের মধ্যে যাঁরা তাঁদের জ্ঞানানুযায়ী কাজ করেছেন তাঁদেরকেই আমার কাছে সবচেয়ে কল্যাণকর মনে হয়েছে। অন্যান্য অনেক 'আলিমদের থেকে হয়তো তাঁদের জ্ঞান কম ছিল, কিন্তু তারপরেও এঁদেরকেই সবচেয়ে ভালো মনে হয়েছে। হাদীস বিশেষজ্ঞ একদল বিদ্বানদের সাথে একবার দেখা হয়েছিল। তাঁরা অনেক হাদীস মুখস্থ করেছিলেন; এবং এগুলোর অনুপুঙ্খ বর্ণনাতে পারদর্শী ছিলেন। কিন্তু এরপরও তাঁরা জার্‌হ ও তা‘দিল (বর্ণনাকারীদের সমালোচনাবিদ্যা)-এর অজুহাতে পরনিন্দাকে অনুমতি দিতেন। অর্থের বিনিময়ে হ়াদীস় বর্ণনা করতে তাঁরা। (লোকের চোখে) নিজের সম্মান ও মর্যাদা হারানোর ভয়ে তড়িঘড়ি করে তাঁরা বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতেন। এমনকি যদি সেই উত্তর ভুল হতো, তবুও। 'আবদ আল-ওয়াহহাব আল-আনমাতি নামের একজন 'আলিমকে পেয়েছিলাম, যাঁর আচারব্যবহার ছিল পূর্বসূরিদের (সালাফ) মতো। হাদীস বর্ণনার জন্য তাঁর জমায়েতগুলোতে কখনোই অন্যের দুর্নাম শোনা যায়নি। অর্থের জন্য ত...

শির্ক মিশ্রিত উৎসব !

Image
মাদীনাবাসীরা আনন্দ উৎসব করত এমন একদিনে রাসূলুল্লাহ (সা) এলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “এই দুদিন কীসের?” তারা বলল, “অজ্ঞতার যুগে এই দুই দিন আমরা আনন্দ উৎসব করতাম।” রাসূলুল্লাহ (সা) বললেন, “আল্লাহ এই দিন দুটির পরিবর্তে আরও উত্তম দুটি দিন দিয়েছেন: ঈদ আল-আযহা ও ‘ঈদ আল-ফিতর।”  এখানে এটি স্পষ্ট যে, প্যাগানদের ঐদুটি দিনে আনন্দ উৎসব করা ছিল মাদীনার প্যাগান আরবদের রীতি। আর তাই রাসূলুল্লাহ (সা) তাদের ঐদিন দুটোতে আনন্দ উৎসব করতে বারণ করেছেন। বরং বলেছেন, “আল্লাহ এর পরিবর্তে আরও ভালো দুটো দিন দিয়েছেন”, যার অর্থ বদলে দেওয়া দিনগুলোকে বাদ দিয়ে নতুন দিনগুলোতে আনন্দ উৎসব করতে হবে। উপরের হাদীস থেকে আমরা স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি, অন্য ধর্মের উৎসব হওয়ার কারণে রাসূলুল্লাহ (সা) তাঁর সাহাবাদের সেইদিনগুলোতে আনন্দ করতে নিষেধ করেছেন। ধর্মীয় প্রেক্ষাপটযুক্ত যেকোনো উৎসবই এই বিধানের অন্তর্ভুক্ত।  এ ধরনের ধর্মীয় উৎসবগুলোর মধ্যে রয়েছে বড়দিন, দিওয়ালি, দূর্গাপূজা, ইস্টার সানডে, হ্যালোয়িন ইত্যাদি। উৎসবগুলো যদি তাদের ধর্মীয় গুরুত্ব হারিয়েও ফেলে, তারপরও এগুলো উদ্‌যাপনের অনুমতি ইসলামে নেই। এর কারণ: এসব উৎসবের মূলে রয়েছে শি...

স্বলাতুল ইসতিস্কা বা বৃষ্টি প্রার্থনার নামাজ পড়লেই যে সাথে সাথে বৃষ্টি হবে বিষয়টি এমন নয়!

Image
গতকাল, গতপরশু এবং আজও দেশের বিভিন্ন স্থানে স্বলাতুল ইসতিস্কা বা বৃষ্টি প্রার্থনার নামাজ পড়া হয়েছে/হচ্ছে। স্বলাতুল ইসতিস্কা পড়ার সাথে সাথেই বৃষ্টি নাও হতে পারে, বরং কখনও কখনও দুই একদিন পরেও বৃষ্টি হতে পারে, অথবা দূরে কোথায়ও কিছু বৃষ্টিপাত হতেও পারে। তবে তাপমাত্রা কিছুটা কমে যাওয়া, হালকা বাতাস বয়ে যাওয়া, আকাশ কিছুটা মেঘলা থাকাসহ ইত্যকার কিছু পরিবর্তন আসাটা একান্তই স্বাভাবিক ও প্রত্যাশিত। কিন্তু সমস্যা হলো, কিছু ভায়েরা ধরেই নিয়েছিলেন স্বলাতুল ইসতিস্কা পড়ার সাথে সাথেই ঝরঝর করে বৃষ্টি নামবে এবং এতে করে সেক্যুদের একহাত নিতে পারবেন অথবা পরাজিত করে ফেলবেন। অনেকের আবার খুবই মন খারাপ কেনো বৃষ্টি এলো না, সেক্যুদের নাস্তানাবুদ করার একটি বিশাল মওকা হাতছাড়া হয়ে গেলো। এসব নিয়ে আবেগী মুসলিম যুবসমাজ এবং বিপরীতে নব্য ইরতিদাদে আক্রান্ত সেক্যুপাড়া এই ইস্যুতে যেভাবে বিভিন্ন ন্যারেটিভ তৈরি করছেন তা খুবই অস্বস্তিকর। বিশেষত, দ্বীনী ভায়েরা ইসলামকে সেক্যুলারিজমের মুখোমুখি দাঁড় করানোকে আমি মোটেই সমর্থন করছি না। সেক্যুলারিজমের মত থার্ড/ফোর্থক্লাশ একটি দর্শন ইসলামের সামনে দাঁড়ায় কিভাবে!!! দর্শনগতভাবে সেক্যুলারিজম...

রিভিউ+PDF ইছামতী : বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়

Image
বই : ইছামতী লেখক: বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় ইছামতী পূর্ব-পশ্চিমবঙ্গের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত একটি নদী। লেখক যেকালের আবহে উপন্যাসটি লিখেছেন, সেকালে নদীটি অখন্ড ভারতবর্ষেরই একটি নদী ছিল। নাম ইছামতী হলেও মূল উপন্যাসে ইছামতীর পরিচয় কিংবা ভূমিকা অতি নগণ্য। উপন্যাসটির মূল প্রেক্ষাপট আবর্তিত হয়েছে ইছামতীর তীরবর্তী গ্রামনিবাসীদের জীবনযাত্রা, নীলচাষের নির্মমতা এবং পতন, বর্ণপ্রথাভিত্তিক সামাজিকতা এবং বেদান্তিক আধ্যাত্মিকতা নিয়ে। ইছামতী কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮৯৪-১৯৫০) রচিত শেষ প্রকাশিত উপন্যাস। ১৯৫০ সালের ১৫ই জানুয়ারি এটি মিত্রালয় প্রকাশনা থেকে সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়। তাঁর মৃত্যুর পর পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই উপন্যাসের জন্য তাকে মরণোত্তর রবীন্দ্র পুরস্কার প্রদান করেন (১৯৫০-৫১)। বিভূতিভূষণের লেখার অন্যতম বৈশিষ্ট্য তিনি পাঠকমনে তৎকালীন প্রকৃতি ফুটিয়ে তুলতে সিদ্ধহস্ত। তিতপল্লার ঝোপ, পানিতে ভেসে যাওয়া লাল টুকটুকে তেলাকুচা ফল, সোদালিফুলের মিষ্টি সুবাস কিংবা ঘনসবুজ আউশ ধানের মাঠের উপর আষাঢ়ের ঘনশ্যাম মেঘপুঞ্জ- নগণ্য প্রকৃতিপ্রেমীর মনেও যথার্থ চিত্র ফুটিয়ে তোলে। তার প্রতিটি উপন্যাসে যেমন ভার...

হেল্পিং হ‍্যান্ড - কয়েস সামী | Helping Hand

Image
বইয়ের নাম : হেল্পিং হ‍্যান্ড লেখক : কয়েস সামী বিষয় : সাইকোলজিক‍্যাল থ্রিলার  প্রকাশনী : অনুজ প্রকাশন হেল্পিং হ‍্যান্ড - কয়েস সামী | Helping Hand  ছোট একটা বাচ্চা রাতে ঘুমুবার আগে দাঁত ব্রাশ না করার শাস্তিস্বরূপ তার মা প্লাস দিয়ে তার একটি দুধ-দাঁত তুলে ফেলেন। কারন তিনি বিশ্বাস করেন- "কেউ যখন তার দাঁতের যথাযথ যত্ন নিতে পারেনা, তখন তার সেই দাঁত রাখার কোন অধিকার থাকে না।" ভাবুন তো, বাচ্চাটা তার জীবনে ছোট থেকে বড় হওয়া পর্যন্ত এমন ছোট ছোট ভুলের জন‍্য আর কী কী শাস্তি পেতে পারে? এই শাস্তি তার সাকোলজিতে কীরকম প্রভাব ফেলতে পারে?  rokomari.com https://www.rokomari.com › book হেল্পিং হ্যান্ড (প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় খণ্ড ): কয়েস সামী বাচ্চাটা উপন‍্যাসের নায়ক- রাকিব। প্রেমে পড়ার মতো অসাধারণ চরিত্রের মানুষ যার ৯৯℅ আচরণ আপনি ভালোবাসবেন কিন্তু ১℅ আচরণে আপনি শিউরে উঠবেন। এই ১℅ নিষ্ঠুরতা ৯৯℅ ভালোবাসাকে উগ্রে দিতে যথেষ্ট। সে তার মায়ের থেকে শিখেছে-  " আমরা যখনই কোন নিয়ম ভঙ্গ করব, আমাদের অবশ্যই পানিশমেন্ট এর ভেতর দিয়ে যেতে হবে। না হলে আমাদের শিক্ষাটা যথাযথ হয় না।" তাই সে তার স্ত্রী...

রিভিউ | কাঠগড়া - লেখক সামসুল ইসলাম রুমি | Kathgora by Shamshul Islam Rumi

Image
বইঃ কাঠগড়া লেখকঃ সামসুল ইসলাম রুমি জনরাঃ লিগ্যাল থ্রিলার প্রকাশনীঃ বাতিঘর প্রকাশনী  প্রথম প্রকাশঃ অমর একুশে বইমেলা ২০২৩  ব্যাক থেকে:  ফিজি জুস কারখানায় লাগা ভয়াবহ এক আগুনে প্রাণ হারিয়েছে অর্ধশতাধিক লোক। আহত হয়েছে আরও অনেকে। এদিকে এই আগুন অনেকের মনে ক্ষোভ জ্বেলে দিয়েছে, কেউ কেউ এই মানুষ পোড়া গন্ধেও খুঁজছে স্বার্থের তুষ্টি। কেউবা ব্যস্ত নিজের পিঠ বাঁচাতে। আর আইনজীবী শাহীনুর রায়হান ব্যস্ত এই ঘোলাটে কেস নিয়ে। কিছু অপরাধ দিনের আলোতে ঘটলেও ঘেরা থাকে অথৈ আঁধারে। সেসবের সমাধান হয় আদালতের গণ্ডিতে, কিংবা হয়ই না। কাঠগড়া তেমনই এক আখ্যান, যাতে উঠে এসেছে আদালত কক্ষের সমস্ত জঞ্জাল। পাঠ-প্রতিক্রিয়া : "চিঠি এলো জেলখানাতে অনেক দিন পর হায়রে অনেক দিন পর" সালমান শাহ'র কান্নাজড়ানো এই গানটা নিশ্চয় সবাই শুনেছেন? জেলখানায় বসে গানটা গেয়েছিলেন উনি। তা বাংলাদেশ এর আইন ব্যাবস্থায় আপনাকে কোনো দোষে দোষী সাব্যস্ত করার আগে ও পরে একটা আনুষ্ঠানিকতার মাঝ দিয়ে যেতে হয়।যার নাম হলো আদালত! আদালতের মারপ্যাঁচ বড্ড কঠিন। এখানে চাইলেই জীবিত আপনাকে সঠিক প্রমানাদির মাধ্যমে মৃত ঘোষণা করে দেওয়া যেতে পারে।আবা...

Deyal By Humayun Ahmed PDF Download | দেয়াল উপন্যাস পিডিএফ

Image
উপন্যাসটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ের পটভুমিতে রচিত। এখানে লেখক বিভিন্ন চরিত্রের মাধ্যমে সমসাময়িকভাবে নিজেকেও উপস্থাপন করেছেন। এই উপন্যাসের কয়েকটি চরিত্র হল: অবন্তি, শফিক, সরফরাজ খান, ইসাবেলা, পীর হামিদ কুতুবি, ক্যাপ্টেন শামস, হাফেজ জাহাঙ্গীর, মেজর ফারুক, মেজর ইশতিয়াক,  শেখ মুজিবুর রহমান ,  খালেদ মোশাররফ ,  সৈয়দ নজরুল ইসলাম ,  জিয়াউর রহমান ,  কর্নেল তাহের ,  মোশতাক আহমেদ ,  তাজউদ্দিন আহমেদ ,  সৈয়দ নজরুল ইসলাম , ডোরা রাসনা, ছানু ভাই, আওয়ামী লীগার মোজাম্মেল, মেজর নাসের,  মেজর রশীদ ,  আন্ধা পীর ,  মেজর ডালিম , ভারতীয়  গুপ্তচর কাও , রাধানাথ, চা বিক্রেতা কাদের মোল্লা,  শামীম শিকদার  প্রমুখ। [৩]  - Source | Wikipedia  বইয়ের নাম:দেয়াল লেখক:হুমায়ূন আহমেদ  প্রকাশক: অন্যপ্রকাশ মুদ্রিত মূল্য:৪৫০ বিদ্যা বিচিত্রা মূল্য:৩১৫ টাকা দেয়াল উপন্যাস পিডিএফ ডাউনলোড করুন                         "নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান       ...

দুনিয়া এক গুচ্ছ মরীচিকা | Dunia Ak Gusso Morichika

Image
দুনিয়া নামক এই ট্রেনে উঠে প্রকৃত গন্তব্যের স্থান ভুলে গেছি আমরা। আমরা এই দুনিয়ার চাকচিক্যে মরিয়া হয়ে গেছি আজ। দুনিয়ায় আগমনের প্রকৃত উদ্দেশ্য ভুলে গিয়ে, আমরা আজ ব্যস্ত দুনিয়াবী সফলতার মোহে, আমরা ব্যস্ত দুনিয়ার প্রতিপত্তি অর্জনের প্রতিযোগিতায়। পুরো দিন টা জুড়ে আমাদের পার্থিব কাজে ব্যস্ততার শেষ নেই। আমরা ছুটছি অর্থ অর্জনের নেশায় আর জোগাড় করছি দুনিয়ার পাথেয়। দুনিয়ামুখী আমাদের কে দুনিয়ার প্রকৃত স্বরূপ দেখাতে পারে শাইখ আব্দুল মালিক আল কাসিমের “দুনিয়া এক ধূসর মরীচিকা” বইটি। বইকথন প্রিয় নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চোখে কেমন ছিল দুনিয়া? সালাফগণের দুনিয়া নিয়ে ভাবনা কেমন ছিল? কেমন ছিল তাঁদের দুনিয়ার জীবনযাপন? দুনিয়ার প্রকৃত স্বরুপ কেমন? এসকল কিছু সম্পর্কে লেখক সুন্দর, সহজ আর চমৎকারভাবে তুলে ধরেছেন বইটিতে। দুনিয়ার প্রকৃত পরিচয় দিয়ে লেখক খুব সুন্দর করে আমাদের কে ক্ষণস্থায়ী এই দুনিয়ার উদ্দেশ্য কে যেন চোখের সামনেই উন্মোচন করেছেন। সালফে সালেহীনদের দৃষ্টিতে দুনিয়ার এই মোহ থেকে বাঁচার উপায়ও তুলে ধরেছেন বইটিতে। দুনিয়ার প্রতিযোগিতার এই ময়দান থেকে বের হয়ে বান্দাকে রবের সন্তুষ্টি অর্জনের পথ দেখি...

সাজঘর PDF ✓হুমায়ূন আহমেদ

Image
বই:সাজঘর লেখক: হুমায়ূন আহমেদ প্রকাশক: প্রতীক প্রকাশক সংস্থা মুদ্রিত মূল্য:১৬০ টাকা বিদ্যা বিচিত্রা মূল্য:১০৪ টাকা পৃথিবীর মতো,চৈত্র মাসের চাঁদের মতো, গহীন অরণ্যের মতো মানুষও রহস্যময়। পৃথিবীটা একটা অভিনয়ের মঞ্চ আর সেই মঞ্চের অভিনেতা হলো মানবজাতি।আমরা যা করি সবই খুব সাজানো গোছানো নিখুঁত অভিনয়। বিভিন্ন জন বিভিন্ন ধরনের চরিত্র নিয়ে অভিনয় করে যাচ্ছি আমরা।মানুষের এই চরিত্রগুলো লেখক হুমায়ূন আহমেদ তার উপন্যাসগুলোতে বেশ ভালো ভাবে তুলে ধরেন।মানবজাতির নানাবিধ এই অভিনয় নিয়েই "সাজঘর" উপন্যাসটি রচিত। সাজঘর উপন্যাসটিতে হুমায়ূন আহমেদ তার অসাধারণ লেখনীর ধারা ফুটিয়ে তুলেছেন এক ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনী। গল্পের শুরুতেই মজনু নামক ১৩/১৪ বছরের ছেলেটির বর্ননা দেওয়া হয়েছে। যার জীবনের পুরোটাই ঘিরে আছে 'পূর্বা নাট্যদল' কে কেন্দ্র করে। হয়তো সে গল্পের জন্য প্রয়োজনীয় কেউ নয় তবুও সে জীবনের নাটকে এক পোর খাওয়া সৈনিক,যে প্রতিভাবান হওয়া সত্ত্বেও অবাঞ্ছিত। নাটকের প্রধান চরিত্র আসিফ আর তার স্ত্রী লিনার জীবনটা এক জটিল সমীকরণের ন্যায় কঠিন।দুর্দান্ত ছাত্র হওয়া সত্ত্বেও আস...

রিভিউ | অশনি সংকেত PDF - বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়

Image
বই: অশনি সংকেত লেখক: বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় রিভিউ: বীথি আক্তার এক বেলা খেতে না খেতেই আর এক বেলা কী খাওয়া হবে সে চিন্তা। আবার কখনো পেট পুরে তো কখনো আধ পেট খেয়ে থাকা। কিন্তু কেমন হবে/হয় যদি বাজার থেকে কেনার সামর্থ্য আছে অথচ বাজারেই চাল নেই; সর্বত্র চালের আক্রা! কেরোসিন নেই! দেশলাই নেই! চারপাশে শুধু নেই নেই হাহাকার। আর এই হাহাকার খুব অল্প সময়ে পটভূমি পরিবর্তন করে দেয়, অবস্থাপন্ন মানুষকেও বাধ্য করে অন্যের দোরে হাত পাততে। ভাবনার মানস চোখে আঁকা এসব দৃশ্যপটকে জীবন্ত অনুভব করতে চাইলে পড়তে পারেন বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়ের 'অশনি সংকেত'।  ১৯৪৩ বাংলা ১৩৫০, বাংলার ইতিহাসে কুখ্যাত মন্বন্তর হিসেবে খ্যাত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রভাব সর্বত্র। ব্রিটিশ সরকার সেনাবাহিনীর জন্য অতিরিক্ত খাদ্য সংগ্রহ করছে, চালান বন্ধ আর সেসবের প্রভাবে বাংলার গ্রাম অঞ্চলে দেখা দেয় তীব্র খাদ্য সংকট। লাখ লাখ মানুষ অনাহারে অর্ধাহারে শুকিয়ে অকালে ঝরে যায়। এ সময় "পথের পাঁচালি" খ্যাত বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় কলমের ডগায় চিত্রিত করেন দুর্ভিক্ষের জীবন্ত আখ্যান 'অশনি সংকেত'। উপন্যাসটি ১৩৫০-৫২ বঙ্গাব্দে 'মাত...

বুক রিভিউ | বইয়ের নাম অপেক্ষা - লেখক হুমায়ূন আহমেদ

Image
❝প্রকৃতি যাকে দেবার তাকে উজাড় করেই দেয়, যাকে দেবার না তাকে কিছুই দেয় না❞। ইমনের মা সুরাইয়া সাধারণ বাঙালী নারীদের মতোই গৃহিণী এবং বাবা হাসানুজ্জামান চাকুরীজীবি। ইমনের দাদী আকলিমা বেগম এবং চাচা ফিরোজসহ পাঁচজনের পরিবার।  গল্পের শুরুর দিকে দেখা যায় সুরাইয়া বেগমের সুখের সংসার। স্বামী হাসানুজ্জামান অফিসে রয়েছে। সুরাইয়া অন্তঃসত্ত্বা, এই সুখবরটা দেয়ার জন্য ফোন করে স্বামীকে কিন্তু কথার মাঝে আসল কথাটাই চাপা পড়ে যায়। সময় টেনেহিঁচড়ে ধরে আনে সন্ধ্যাকে অথচ হাসানুজ্জামান এখনও বাসায় ফিরছে না।  সূচনা হয় অপেক্ষার। রাতকে বিদায় জানিয়ে ভোর আসে কিন্তু হাসানুজ্জামানের হদিস নেই। দিন যায়, সপ্তাহ যায়, মাস যায় হাসানুজ্জামান আসে না। এদিকে সুরাইয়া বেগমের দৃঢ় বিশ্বাস তার স্বামী একদিন ফিরে আসবে। পরিবারের নতুন সদস্যের আগমন ঘটে। তার নাম রাখা হয় সুপ্রভা। সুরাইয়া বেগম ছেলে-মেয়েকে নিয়ে বড় ভাই জামিলুর রহমানের বাড়িতে থাকতে শুরু করে। জামিলুর রহমানের তিন সন্তান। দুই ছেলে শোভন ও টোকন এবং মেয়ে মিতু। সুরাইয়া বেগম পুরোপুরি বদলে যায়। মেজাজ হবে ওঠে খিটখিটে। সন্তানদের সাথে খারাপ আচরণ শুরু করে। একটুতেই রেগে ওঠে। কাজ হিসে...

প্রতিদিন সন্তানের সঙ্গে আর্দশ সময় কাটান

Image
মোবাইল বন্ধ করে, কম্পিউটার বন্ধ করে নিজের সন্তানকে একবার বলুন, পরের বিশ মিনিট শুধু আমরা দুজন গল্প করবো। কী করবো এখন আমরা দুজন? তাকেই ঠিক করতে দিন। পৃথিবীজুড়ে শিশুদের নাকাল হওয়ার তো শেষ নেই, কিন্তু এই বিশ মিনিটের জন্য তাকে প্রাধান্য দিন এবং তাকেই জিততে দিন। চাপা হাসি মনের তিক্ততা, বিদ্বেষ আর অশান্তি দূর করে। তাই তাকে আশ্বস্ত করুন নিরীহ খেলা ও হাসির মাধ্যমে। বালিশ দিয়ে মারামারি খেলুন, কুস্তি করুন, পাশাপাশি শুয়ে থাকুন। তাকে ছোটাছুটি করতে, চেঁচামিচি করতে, তার প্রিয় কাজগুলো করতে দিন। তার সব অনুভূতিগুলোকে আদর দিন। নিজের শতভাগ তাকে দিন। শিশুরা যখন জানবে, প্রতিদিন তাদের বাবা-মায়ের কাছে তারা একটা নির্দিষ্ট বিশেষ সময় পাবে খেলাধুলা করার জন্য, সেটা তাদের আবেগকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে, তাদের আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে সাহায্য করবে এবং সেটা তাদের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করবে। (সংগৃহীত)